blog-img
রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড; দুই মেয়েসহ তুহিন-আফসানা দম্পতির ভাগ্যে কী ঘটেছে!
9 hours ago
3 K Views
0 comments

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন যশোরের মণিরামপুরের একই পরিবারের চারজন। তাঁরা হলেন মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান তুহিন (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)। রিসোর্টের শৌচাগার থেকে চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর তাঁদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বেড়েছে। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি।


নিখোঁজ তুহিনের চাচাতো ভাই ও মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মোড়ের ওষুধ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন জানান, শুক্রবার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন তুহিন। সেখানে দুই দিন থাকার পর রবিবার তাঁদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল। কক্সবাজারে অবস্থানকালে তুহিন তাঁর বাবার সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন।


রিয়াজ উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে তুহিনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পেয়ে স্বজনরা তুহিনের স্ত্রী তানজির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।


শনিবার সন্ধ্যায় রিসোর্টের শৌচাগার থেকে পরস্পরকে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তুহিন, তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের পরিণতি নিয়ে স্বজনদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়।


তুহিনের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স ঘটনার পর থেকেই ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। যোগাযোগ করতে না পেরে রবিবার সকালে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, 'তুহিন ও তার স্ত্রী, দুই মেয়ের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিশ্চিত নই।'


মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাইদ বলেন, মরদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তুহিনের বাবা ও শ্বশুর-শাশুড়ি কক্সবাজার গেছেন। পরীক্ষার ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহ চারটির পরিচয় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।


স্বজনরা জানান, তুহিন রাজধানীর শ্যামলীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ছিলেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ঢাকার মিরপুরে বসবাস করতেন তিনি।

Comments 0

Your Comment