মৌসুমের ‘পিক আওয়ারে’ পর্যটকে লোকারণ্য কক্সবাজার। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে কানায় কানায় ভিড়। নোনাজল আর বালুচরে আনন্দ-হইহুল্লোড়ে মেতেছেন হাজারো পর্যটক। সরেজমিন দেখা গেছে, প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে সৈকতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পর্যটকের ভিড়ে জমে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগের লোকসান কাটিয়ে ফের স্বস্তি ফিরছে। কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউস মালিক সমিতি জানায়, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনেক হোটেল-মোটেলে আগাম বুকিং রয়েছে। বছরের শেষ ও নতুন বছরের শুরুতে প্রায় ১০ লাখ পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হতে পারে। পর্যটকের চাপ বাড়ায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি উঠেছে। সি সেইফ লাইফ গার্ড জানায়, বিপৎসীমার বাইরে চলে যাওয়া পর্যটকদের সতর্ক ও উদ্ধার করা হচ্ছে নিয়মিত। ট্যুরিস্ট পুলিশ বলছে, হয়রানি রোধে বাড়তি নজরদারি চলছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, সৈকতের সব পয়েন্টে তথ্যকেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পর্যটনের প্রাণ ফেরার এ সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন কক্সবাজারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।