তিনটি ফরম্যাট মিলিয়ে ছয় দলের একটি ঘরোয়া প্রতিযোগিতার কাঠামো অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন এই কাঠামোর আওতায় চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রথম টি-টোয়েন্টি আসরটি অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রস্তাবিত এই কাঠামোর মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেট, লিস্ট-এ ওয়ানডে এবং লিস্ট-এ টি-টোয়েন্টি সবই একটি একক প্রতিযোগিতার অন্তর্ভুক্ত হবে। এতে দলগুলোর মালিকানা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ও স্বনামধন্য করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রাথমিক তিন বছরের জন্য হস্তান্তর করা হবে।
ক্রিকবাজের তথ্যমতে, দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই ছয়টি দলের মালিকানা নিশ্চিত করেছে। বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বোর্ড নীতিগতভাবে একটি একক প্রতিযোগিতার কাঠামোর অধীনে তিনটি ফরম্যাট প্রথম-শ্রেণির (চার দিনের ম্যাচ), লিস্ট-এ ওয়ানডে এবং লিস্ট-এ টি-টোয়েন্টি নিয়ে ছয় দলের ঘরোয়া প্রতিযোগিতা চালুর বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ও স্বনামধন্য করপোরেট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রাথমিক তিন বছরের জন্য দলের মালিকানা স্বত্ব প্রদানের প্রস্তাব রাখা হবে। বোর্ড উল্লেখ করেছে, নতুন এই কাঠামোর আওতায় টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতাটিই হবে প্রথম আসর, যা ডিসেম্বরে আয়োজনের সম্ভাব্য সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ওয়ার্কিং কমিটির প্রস্তাবের ভিত্তিতে ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটারদের জন্য সংশোধিত ম্যাচ ফি-র বিষয়টিও বোর্ড অনুমোদন করেছে। সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী, পুরুষ খেলোয়াড়রা চার দিনের ক্রিকেটে প্রতি ম্যাচের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ওয়ানডে ক্রিকেটে ১ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৮০ হাজার টাকা পাবেন। ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগের ‘সেকেন্ড একাদশ’-এর খেলোয়াড়রা প্রতি ম্যাচের জন্য ১৫ হাজার টাকা পাবেন।
নারীদের ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্ষেত্রে সংশোধিত ম্যাচ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তিন দিনের ক্রিকেটে ৪০ হাজার টাকা, ওয়ানডেতে ৩০ হাজার টাকা এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০ হাজার টাকা পাবেন।
পাশাপাশি বোর্ড বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দৈনিক ভাতা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করার বিষয়টিও অনুমোদন করেছে।