প্রিয় নবীজি (সা.)-কে আল্লাহ তাআলা এমন কিছু বৈশিষ্ট্য দিয়েছেন, যা অন্য কোনো নবীকে দেননি। নিম্নে আমরা বিশ্বনবী (সা.)-এর কিছু বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব, ইনশাআল্লাহ। ১. নবীদের কাছ থেকে ওয়াদা গ্রহণ আল্লাহ তাআলা সব নবী থেকে ওয়াদা নিয়েছেন যে বিশ্বনবী (সা.) যদি আগমন করেন তাহলে তাঁরা তাঁকে সত্যায়ন করবেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং (তাদেরকে সেই সময়ের কথা স্মরণ করাও) যখন আল্লাহ নবীদের থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন, আমি যদি তোমাদের কিতাব ও হিকমত দান করি, তারপর তোমাদের কাছে কোনো রাসুল আগমন করে, যে তোমাদের কাছে যে কিতাব আছে তার সমর্থন করে, তবে তোমরা অবশ্যই তার প্রতি ঈমান আনবে এবং অবশ্যই তার সাহায্য করবে। আল্লাহ (সেই নবীদের) বলেছিলেন, তোমরা কি এ কথা স্বীকার করছ এবং আমার পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই দায়িত্ব গ্রহণ করছ? তারা বলেছিল, আমরা স্বীকার করছি। আল্লাহ বলেন, তবে তোমরা (একে অন্যের স্বীকারোক্তি সম্পর্কে) সাক্ষী থাকো এবং আমিও তোমাদের সঙ্গে সাক্ষী থাকলাম।’(সুরা : আলে-ইমরান, আয়াত : ৮১) ২. বাইতুল মাকদিসে ইমামতি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ...তারপর (মিরাজের সময় বাইতুল মাকদিসে) নামাজের সময় হলো, আমি তাঁদের (নবীদের) ইমামতি করলাম...। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৩২৭) ৩. আগে-পরের সব গুনাহ মাফ স্পষ্ট ঘোষণার মাধ্যেমে প্রিয় নবীজির আগে-পরের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘(হে রাসুল!) নিশ্চয়ই আমি তোমাকে প্রকাশ্য বিজয় দান করেছি, যাতে আল্লাহ তোমার অতীত ও ভবিষ্যতের সব ত্রুটি ক্ষমা করেন, তোমার প্রতি তাঁর নিয়ামত পূর্ণ করেন এবং তোমাকে সরল পথে পরিচালিত করেন।’ (সুরা : আল-ফাতহ, আয়াত : ১ ও ২) অন্য কোনো নবীর ব্যাপারে এভাবে স্পষ্ট কোনো বর্ণনা নেই যে তাঁদের আগের এবং পরের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে। তবে নবীরা মাসুম এ কথা সত্য ও শিরোধার্য।