হামলায় দিশাহারা মিয়ানমার সেনা
হামলায় দিশাহারা মিয়ানমার সেনা
Ajker highlights
প্রকাশ:
বিদ্রোহী যোদ্ধাদের তীব্র হামলায় দিশাহারা অবস্থায় পড়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সামরিক অভ্যুত্থানের পর এ পর্যন্ত অন্তত ৩০ হাজার সেনা হতাহত ও আটক হয়েছেন বলে একটি সংস্থা জানিয়েছে। বিদ্রোহীরা প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকা বা সামরিক স্থাপনা দখল করে নিচ্ছে। সেনা স্বল্পতায় দেশটির তরুণ-তরুণীদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে লড়াই ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তমব্রু সংলগ্ন সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অংশে শনিবার গভীর রাত থেকে গতকাল সকাল ৭টা পর্যন্ত আবারও গুলির শব্দ পান এপারের সীমান্তবাসীরা। একই সঙ্গে গত শুক্রবার ও শনিবার পাওয়া দুটি আরপিজি (রকেট লাঞ্চার) সেনাবাহিনীর ‘বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট’ নিষ্ক্রিয় করেছে। এ ছাড়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বালুখালী খালে আরও তিনটি লাশ ভেসে এসেছে। এর মধ্যে উখিয়া থানা পুলিশ গতকাল একটি লাশ উদ্ধার করেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদে এসব তথ্য জানা গেছে। আমাদের বান্দরবান প্রতিনিধি ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজের উদ্বৃতি দিয়ে জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তমব্রু সংলগ্ন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অংশে শনিবার গভীর রাত থেকে গতকাল সকাল ৭টা পর্যন্ত আবারও গুলির শব্দ শুনতে পান এপারের সীমান্তবাসীরা। সীমান্তের ওপার থেকে বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার গুলির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়নি। তবে শনিবার গভীর রাত থেকে রবিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেলেও রবিবার দিনভর আর কোনো গুলির শব্দ শোনা যায়নি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্র জানান, ঘুমধুমের তমব্রু এলাকায় শুক্রবার ও শনিবার পতিত অবস্থায় পাওয়া দুটি আরপিজি (রকেট লাঞ্চার) রবিবার বিকালে সেনাবাহিনীর ‘বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট’ নিষ্ক্রিয় করেছে। সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের এখনো সার্বক্ষণিক টহল দিতে দেখা গেছে। সীমান্তের ওপারের সংঘাতে নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ করে দেওয়া ঘুমধুম ইউনিয়নের পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনো খুলে দেওয়া হয়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান, পরিস্থিতির উন্নতি হলে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে পরামর্শ করে গত সোমবার থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা বাইশফাঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাজাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিমকুল তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে খুলে দেওয়া হতে পারে।
মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।