blog-img
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাইবে ইরান
5 hours ago
4.4 K Views
0 comments
প্রিয় নেতার মৃত্যুতে কাঁদছে পুরো দেশ। তেহরানের রাস্তায় এখন লাখো মানুষের ঢল। হাতে প্রতিশোধের লাল নিশান। সবার মুখে একটাই কথা— ‘প্রতিশোধ’। ঠিক এমন আবেগঘন পরিবেশেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাওয়ার কঠিন ঘোষণা দিল ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাইবেই। এটি তাদের একটি দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য হয়েই থাকবে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, সর্বোচ্চ নেতার বিদায় অনুষ্ঠানে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বড় বড় নেতারা এসেছেন। এটি প্রমাণ করে খামেনি কত বড় মাপের নেতা ছিলেন এবং ইরানের মানুষ কতটা মহান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার জানাজা শুরু হয়েছে। পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের ওপর রাখা আছে তার কালো পাগড়ি। পাশেই রাখা হয়েছে হামলায় নিহত তার ১৪ মাস বয়সী নাতনিসহ পরিবারের অন্যদের ছোট-বড় কফিন। মানুষ ‘যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। প্রিয় নেতাকে বিদায় জানাতে এসে স্পিকার গালিবাফসহ অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। এক যুবক আক্ষেপ করে বলেন, ‘এই ট্র্যাজেডি দেখার আগে আমার মৃত্যু হলে ভালো হতো!’ ধারণা করা হচ্ছে, আগামী তিন দিনে তেহরানে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ জড়ো হবেন। খামেনির মৃত্যুতে ইরানে মূলত একটি যুগের অবসান হলো। ১৯৮৯ সালে তিনি ক্ষমতায় আসেন। তার সময়ে সামরিক বাহিনী ও মিসাইল কর্মসূচি অনেক শক্তিশালী হয়। তার মৃত্যু জাতিকে দুর্বল না করে বরং আরও এক করেছে। ছয় দিনের এই বিদায় অনুষ্ঠান ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে চলবে। আগামী শুক্রবার খামেনির জন্মশহর মাশহাদে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

Comments 0

Your Comment