অভিবাসনের ওপর ভিত্তি করেই গড়া উঠেছে কানাডা। অথচ সেই দেশটি ছেড়েই মানুষ এখন চলে যাচ্ছে। গত ৮ বছরে কানাডায় ২৫ লাখ মানুষ স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। তবে জীবনযাত্রার উঁচু ব্যয়ের কারণে কানাডা ছেড়ে চলে গেছেন অনেকে। ২০২২ সালে হংকং থেকে শরণার্থী হয়ে কানাডায় প্রবেশ করা ২৫ বছর বয়সী ক্যারা বলেন, কখনওই ভাবিনি যে পশ্চিমা দেশগুলোতে আপনি শুধুমাত্র একটি কক্ষের ভাড়া জোগাড় করতেই হিমশিম খাবেন। ক্যারা জানান, বেসমেন্টে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকেন তিনি। এর জন্য তাকে ৬৫০ কানাডিয়ান ডলার পরিশোধ করতে হয় (বাংলাদেশি প্রায় ৫৩ হাজার টাকা)। এর ফলে তার মাসিক আয়ের ৩০ শতাংশই চলে যায় বাসা ভাড়ায়। বাকি খরচ মিটিয়ে মাস শেষে তার কোনও সঞ্চয় থাকে না। অথচ হংকংয়ে থাকা অবস্থায় তিনি যে অর্থ আয় করতেন, তার এক-তৃতীয়াংশ সঞ্চয় করা যেত। উল্লেখ্য, গত মাসে ট্রুডো সরকার নতুন নীতি চালু করেছে। এর আওতায় ২০২৫ সাল থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ মানুষ কানাডায় নতুন বসতি স্থাপন করতে পারবেন। এই নীতির উদ্দেশ্য হল- আবাসন খাতের ওপর চাপ কমানো। তবে অনেকেই মনে করছেন, এই পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। বরং পদক্ষেপটি নিতে অনেক দেরি হয়ে গেছে।