হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের নিয়ম না মানার অভিযোগে আরও ১১টি জাহাজকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ইরান। দেশটির সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে এসব জাহাজ যুক্ত হওয়ায় কালো তালিকায় থাকা জাহাজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬টিতে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন জাহাজগুলোর নাম যুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে বড় আকারের অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও পরিশোধিত জ্বালানি বহনকারী জাহাজ।
এর আগে ২৪ আগস্ট ইরান ৪৫টি ট্যাংকারকে কালো তালিকাভুক্ত করে। এসব জাহাজকে জরিমানা, জব্দ বা আটকের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।
ইরানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত কোনো জাহাজের সঙ্গে পণ্য স্থানান্তর বা জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের মতো কার্যক্রমে যুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট জাহাজকেও কালো তালিকায় যুক্ত করা হবে। তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে হলে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হবে।
এর আগে কালো তালিকাভুক্ত কিছু জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের এডিএনওসি লজিস্টিকস অ্যান্ড শিপিং, এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ন্যাভিগেট ট্যাংকারস এবং সৌদি আরবের জাতীয় শিপিং কোম্পানি বাহরির মালিকানাধীন ছিল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রথম দফার কালো তালিকা প্রকাশের পর অন্তত তিনটি ভারতীয় তেল শোধনাগার ও একটি বৈশ্বিক জ্বালানি কোম্পানি নিরাপত্তাজনিত কারণে এসব জাহাজ ব্যবহার বন্ধের পরিকল্পনা করে।
যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেত। তবে যুদ্ধ শুরুর পর এ পথে জাহাজ চলাচল অনেকটাই কমে গেছে।