blog-img
ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
17 hours ago
3.9 K Views
0 comments
'আপনারা শুরু করলে শেষটা আমরা করব’; ইরানের রাজধানী তেহরানে এমন কড়া হুঁশিয়ারি লেখা ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তেল আবিব ও বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দরসহ ইসরায়েলের একাধিক কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখানো হয়েছে। ফিলিস্তিন স্কয়ারে প্রদর্শিত এই মানচিত্রটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি ইরানের শক্তিশালী সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা আরও বাড়ছে। ইরানে প্রদর্শিত এই মানচিত্রে কেন্দ্রীয় ইসরায়েলের বেশ কিছু স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর কিরিয়া, গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা কেন্দ্র এবং হার্জলিয়া এলাকার প্রধান সামরিক স্থাপনাগুলো। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই মানচিত্র থেকে জেরুজালেমকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র প্রধান সামরিক ও বেসামরিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। ব্যানারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি লাল রঙের ফায়ার বাটনের ছবি ব্যবহার করে তেহরান তাদের সামরিক সক্ষমতা ও যুদ্ধের প্রস্তুতির জানান দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের সম্পর্কের চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে এই প্রকাশ্য হুমকি সামনে এলো। ইরান বারবার হুঁশিয়ার করছে, তাদের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের উসকানি বা হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। তেহরানের নেতাদের মতে, এই ধরনের জনসমক্ষে প্রদর্শিত ব্যানার বা মানচিত্র আসলে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক প্রতিরোধ। তারা বিশ্বকে এই বার্তাই দিতে চাইছে, যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধের পরিস্থিতিতে ইরান সরাসরি ইসরায়েলের অভ্যন্তরে শক্তিশালী আঘাত হানতে সক্ষম। ইসরায়েল এখন পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট মানচিত্রের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শীঘ্রই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ইরানের এই নতুন হুমকি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিই তাদের আলোচনার মূল বিষয় হবে। একইসাথে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক সরঞ্জামের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতির জটিলতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

Comments 0

Your Comment